লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা | লিবিয়া যেতে কত টাকা খরচ হয় |


লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ থেকে অন্যান্য দেশে মানুষ বিভিন্ন কার জন্য যাচ্ছেন। তেমনি ভাবে লিবিয়াতে ও বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্ন রকম কাজের জন্য যাচ্ছেন। কেউ যাচ্ছেন লিবিয়া থেকে অন্যান্য দেশে যাওয়ার জন্য। আবারো কেউ যাচ্ছেন সেখানে গিয়ে কাজ করার জন্য। লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে লিবিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট কিভাবে পাওয়া যায়

লিবিয়া ওয়ার্ক পারমিট আপনারা বিভিন্নভাবে পেতে পারেন। সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো যে কোন এজেন্সি এর মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে লিবিয়া যাওয়া। এছাড়াও দালালদের মাধ্যমে খুব সহজেই বর্তমান সময়ে লিবিয়া যেতে পারবেন। তবে দালালদের মাধ্যমে যাবার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এছাড়াও আপনাদের যদি কোন আত্মীয় বাইরের দেশে থাকে অর্থাৎ লিবিয়া থাকেন। সে যদি আপনাকে সঠিকভাবে সহায়তা করে তাহলে তার মাধ্যমে আপনার সে দেশটিতে খুব সহজে যেতে পারবেন। যাবার পরে সেখানে গিয়ে তার মাধ্যমে কাজও করতে পারবেন। আর আপনার যদি কেউ না থাকে তাহলে আপনাকে এজেন্সি অথবা দালালের মাধ্যমে যেতে হবে।

লিবিয়া যেতে কত টাকা খরচ হয়

বর্তমান সময়ে এজেন্সির মাধ্যমে অথবা দালালদের মাধ্যমে আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া যেতে চান সেক্ষেত্রে আপনার খরচ হবে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা। ৩ লক্ষ টাকার মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ প্রসেস সম্পন্ন করে লিবিয়া পৌঁছাতে পারবেন। লিবিয়া পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত বা পৌঁছানোর পরে অতিরিক্ত আর টাকা দেবার প্রয়োজন নেই। মূলত এমনই খরচ হয়ে থাকে। তবে আপনার কাছ থেকে যদি অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকে তাহলে আপনারা সেই বিষয়ে সতর্ক হবেন। লিবিয়া যেতে এর চেয়ে বেশি খরচ হয় না।


লিবিয়া কাজের বেতন কত

লিবিয়া কাজের বেতন সর্বনিম্ন পঁচিশ হাজার টাকা। তবে আপনি যদি সেখানে সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনি প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারবেন ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এর চেয়ে বেশি টাকা ইনকাম করা লিবিয়া তে অনেক কষ্টকর। তবে লিবিয়া থেকে আপনারা অন্যান্য দেশে গিয়ে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

লিবিয়া যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়

লিবিয়া যেতে হলে আপনার বেশ কিছু ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। এই সকল ডকুমেন্টগুলো অন্যান্য দেশে যাবার ক্ষেত্রেও প্রয়োজন হয়ে থাকে। ডকুমেন্টসগুলো যদি সঠিকভাবে না প্রদান করেন তাহলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। যে কারণে এই বিষয়ে আপনাদের সকলের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যে সকল ডকুমেন্টগুলো প্রয়োজন হয় তা হলঃ-

  • সর্বপ্রথম একটি পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে। পাসপোর্ট এর মেয়াদ থাকতে হবে সর্বনিম্ন ৬ মাস।
  • মেডিকেল রিপোর্ট।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট।


লিবিয়া ভিজিট ভিসা কিভাবে পাওয়া যায়

লিবিয়া ভিজিট ভিসা আপনারা বিভিন্নভাবে পেতে পারেন। তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ হচ্ছে যে কোন এজেন্সির মাধ্যমে লিবিয়া ভিজিট ভিসা বা টুরিস্ট ভিসা নিতে পারেন। এছাড়াও আপনারা অন্যান্যভাবে সহায়তা নিতে পারেন।

লিবিয়ার এক টাকা সমান বাংলাদেশের কত টাকা

লিবিয়ার এক মুদ্রা সমান বাংলাদেশের প্রায় ২৪ মুদ্রা। অর্থাৎ লিবিয়ার এক দিনার সমান বাংলাদেশের ২৪ টাকা। লিবিয়ার মুদ্রার নাম দিনার। লিবিয়ার ১০০ মুদ্রা সমান বাংলাদেশের প্রায় ২৪০৭ মুদ্রা। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে বাংলাদেশের মুদ্রার চেয়ে লিবিয়ার মুদ্রার মান অনেক বেশি।

ইতিকথা,

যে কোনো দেশের যাবার পূর্বে সেই দেশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়া জরুরি। তার পাশাপাশি যে দেশে যাচ্ছেন এবং যাদের মাধ্যমে যাচ্ছেন তাদের সম্পর্কেও জানা উচিত। আপনি যে এজেন্সির মাধ্যমে যান আর যে দালালের মাধ্যমে যান না কেন তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া উচিত। কারণ অনেক এজেন্সি এবং অনেক দালাল রয়েছে যারা মানুষকে ঠকিয়ে থাকে। আপনি যদি অন্ধ বিশ্বাস করে থাকেন তাহলে আপনিও ধরা খেতে পারেন। যে কারণে যাবার পূর্বে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করবেন।

নবীনতর পূর্বতন