মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা,

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা দীর্ঘ কয়েক বছর পরে পুনরায় চালু করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে বাংলাদেশ থেকে অনেক জনশক্তি আমদানি করেছেন। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া গিয়ে কাজ করতে চান তাহলে আপনার জন্য বিশাল সুখবর রয়েছে।

দীর্ঘদিন যাবত অনেকেই মালয়েশিয়া যাবার জন্য অধীর আগ্রহে ছিলেন। বর্তমান সময়ে আপনারা মালয়েশিয়া যেতে পারবেন।বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী মালয়েশিয়া তে কাজ করেছেন। আবার অনেকেই বিভিন্ন ক্যাটাগরির কাজের ভিসা নিয়ে যাচ্ছেন।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা

বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা এর চাহিদা অনেক রয়েছে। অনেকেই ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়া গিয়ে কাজ করছেন আবার অনেকেই রয়েছেন যারা যাচ্ছেন। ফ্যাক্টরি বিষয় নিয়ে দ্রুত সময়ে মালয়েশিয়ায় গিয়ে কাজ পাওয়া সম্ভব। ফ্যাক্টরি ভিসার মাধ্যমে আপনি যদি মালয়েশিয়া যান তাহলে দ্রুত সময় কাজ পাবেন এবং ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবেন। মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে উল্লেখ করা হলো।

যেমন, মালয়েশিয়া যেতে কত টাকা লাগে, মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসার দাম কত, মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি কাজের বেতন কত, মালয়েশিয়া যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন, মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কি, কলিং ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে, ফ্যাক্টরিতে কোন কোন কাজ পাওয়া যায়, ফ্যাক্টরি কাজের জন্য কেমন অভিজ্ঞতা প্রয়োজন এছাড়াও আরো অন্যান্য বিষয় সহ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টর ভিসার দাম কত

বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসার দাম প্রায় ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বিভিন্ন এজেন্সি রয়েছে যে এজেন্সি গুলো ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়াতে মানুষ প্রেরণ করেছেন। এজেন্সি ভেদে ও ভিসার দাম কম বেশি হতে পারে।

তবে বর্তমান সময়ে যেসকল মানুষ বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে কাজ করতে যাচ্ছেন। তাদের খরচ হচ্ছে প্রায় চার লক্ষ টাকার মতো। কিছু ক্ষেত্রে সামান্য কম অথবা বেশি টাকা খরচ হতে পারে।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসায় বেতন কত

মালয়েশিয়াতে যদি আপনি ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে গিয়ে কাজ করেন। তাহলে আপনি প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন ৪০ হাজার টাকা। এটা হচ্ছে আপনার বেসিক বেতন। ওভারটাইম এর বেতন এক্সট্রা করে দেওয়া হবে। আপনি যদি বেশি সময় ওভারটাইম করতে পারেন তাহলে আপনি প্রতি মাসে মোট আয় করতে পারবেন ৬০ হাজার টাকার মতো।


প্রথম অবস্থায় ফ্যাক্টরি ভিসায় গিয়ে যারা কাজ করে তাদের বেতন ৪০ থেকে ৪৫ হাজার হয়ে থাকে। তবে পরবর্তী সময়ে এদের বেতন বৃদ্ধি পাবে তাদের কাজের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। একই কাজে বেতন বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে একই রকম হতে পারে। আবার কাজের ক্যাটাগরির উপর ভিত্তি করেও বেতন কমবেশি হয়ে থাকে।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসায় যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন

মালয়েশিয়াতে আপনি ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে যান অথবা অন্য কোন ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে যান আপনার বেশ কিছু ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। যে সকল ডকুমেন্টগুলো অত্যন্ত প্রয়োজন ভিসা করার ক্ষেত্রে সে সকল ডকুমেন্টগুলো উল্লেখ করা হলো।
  • প্রথমত আপনার অবশ্যই একটি পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং পাসপোর্ট টি বৈধ হতে হবে। পাসপোর্ট এর মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হতে হবে। যেহেতু আপনি কাজ করার জন্য মালয়েশিয়াতে যাচ্ছেন সুতরাং আপনাদের পাসপোর্ট এর মেয়াদ ২ বছর এর বেশি হওয়া উত্তম।
  • সদ্য তোলা ছবি এর প্রয়োজন হবে অবশ্যই ছবি রঙিন হতে হবে।
  • মেডিকেল রিপোর্ট
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
  • এনআইডি কার্ড
  • জন্ম সনদপত্র
  • করোনার টিকা কার্ড
  • ভিসা আবেদন ফর্ম
মূলত মালয়েশিয়া যেতে হলে এই ডকুমেন্টসগুলো সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে। এ সকল ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও অন্যান্য ডকুমেন্টস প্রয়োজন হতে পারে। যদি অন্যান্য ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয় তবে তারা আপনাকে সেই ডকুমেন্টস গুলো সম্পর্কে জানিয়ে দেবে।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরিতে ভিসায় কেন যাবেন

বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে কাজ করতে যাচ্ছেন। তার মধ্যে একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে ফ্যাক্টরি ভিসা। অনেকেরই প্রশ্ন ফ্যাক্টরি ভিসায় কেন মালয়েশিয়া যাব। ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে যদি আপনি মালয়েশিয়া যেতে পারেন তবে মালয়েশিয়া গিয়ে আপনার কাজ খোঁজার প্রয়োজন হবে না। বিদেশের মাটিতে কাজ খোঁজা অনেক বেশি কষ্টকর।

আর ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে যদি আপনি বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া যেতে পারেন তবে যাবার সঙ্গে সঙ্গে আপনারা কাজ পেয়ে যাবেন। আপনি ভিসা নিয়ে গেলে আপনাকে নির্দিষ্ট একটা কোম্পানিতে ফ্যাক্টরি কাজে লাগিয়ে দেওয়া হবে। যে কারণে মানুষ মূলত ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়াতে যায়।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা কিভাবে পাব

ফ্যাক্টরি ভিসা আপনারা যে কোন বৈধ এজেন্সির মাধ্যমে পেতে পারেন। ঢাকাতে বেশ কয়েকটি এজেন্সি রয়েছে। যে সকল এজেন্সি প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ থেকে অন্যান্য দেশে মানুষ প্রেরণ করে থাকছেন। আপনি সেই সকল এজেন্সি গুলোর সাহায্য নিয়ে ফ্যাক্টরির ভিসা পেতে পারেন।

বাংলাদেশে অসংখ্য, ঢাকা মহাখালী, বনানী ইত্যাদি জায়গায় এজেন্সি রয়েছে। এই এজেন্সি গুলো বর্তমান সময়ে ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে মানুষ প্রেরণ করেছেন। আপনিও চাইলে এই এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা পেতে পারেন।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা কি চালু রয়েছে

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা বর্তমান সময়ে চালু রয়েছে। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া ফ্যাক্টর ভিসা নিয়ে যেতে চান তবে আপনি খুব সহজেই বর্তমান সময়ে যেতে পারবেন। বর্তমানে ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে অনেকেই যাচ্ছেন। ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া যেতে খরচ হচ্ছে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরিতে কাজে কি কি কাজ রয়েছে

মালয়েশিয়াতে অনেক ফ্যাক্টরি রয়েছে যে কারণে ফ্যাক্টরি ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে এবং অন্যান্য দেশ থেকে মালয়েশিয়াতে কাজ করার জন্য এসে থাকেন। ফ্যাক্টরির মধ্যে অনেক ধরনের কাজ থাকে। যে সকল কাজগুলো ফ্যাক্টরিতে রয়েছে তা হলঃ-
  • পাইপ ফিটিং
  • প্যাকেজিং
  • ইলেকট্রিশিয়ান
  • মেশন
  • গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মধ্যে আবার অনেক ধরনের কাজে রয়েছে।

মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসা

মালয়েশিয়াতে বিভিন্ন কোম্পানিতে যারা কাজ করতে যায় তারা মূলত কোম্পানির ভিসা নিয়ে যেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে তাদের কষ্ট করে মালয়েশিয়া গিয়ে কাজ খোঁজ করতে হয় না। তারা পূর্ব থেকেই কোম্পানিতে কাজ নিয়ে যায়। যে কারণে তারা যাবার পরেই সাথে সাথে কোম্পানিতে কাজ করতে পারে। মালয়েশিয়াতে কোম্পানি ভিসা নিয়ে গেলে অনেক রকম সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসার বেতন কত

মালয়েশিয়াতে কোম্পানি ভিসায় একজন শ্রমিক মাসিক বেতন পাবে ৩৮ থেকে ৪০ হাজার টাকা। প্রথম অবস্থায় এমন বেতন দেওয়া হয়ে থাকে কর্মচারীদের। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই বেতন বৃদ্ধি পেতে থাকবে। অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে আপনার বেতন হবে প্রায় ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার বা তার ও বেশি।

আমরা বিদেশে যাই মূলত অর্থ উপার্জন করার জন্য। সুতরাং আমাদের জেনে বুঝে যাওয়া উচিত। আমরা মালয়েশিয়াতে গেলে প্রতি মাসে কত টাকা আয় করতে পারব কত টাকা সেভ করতে পারব এই সকল সংক্রান্ত তথ্যগুলো জানা জরুরী। যাবার সময় আমাদের বেশ মোটা অংকের টাকা খরচ হয়। সেই টাকা উঠাতে কত দিন সময় লাগবে। কতদিন পরিশ্রম করলে আমরা অর্থ গচ্ছিত করতে পারব ইত্যাদি।

মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে

মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসায় বর্তমান সময়ে অনেকে যাচ্ছেন। মালেশিয়াতে কোম্পানি ভিসায় যেতে হলে আপনার খরচ হবে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। তবে দালাল দের মাধ্যমে যেতে চাইলে আপনার খরচের বেড়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ হবে প্রায় সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা।

অনেক এজেন্সি রয়েছে যে সকল এজেন্সি হল একই রকম টাকা নিয়ে ভিসা দেয় না। কিছু টাকা কম বেশি লাগতে পারে। তবে বর্তমান সময়ে যেহেতু মালয়েশিয়ার ভিসা এভেলেবল রয়েছে সুতরাং এ ক্ষেত্রে আপনার বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসা যেতে খরচ হবে সাড়ে চার লক্ষ টাকা।

মালয়েশিয়া কোম্পানি ভিসার সুযোগ সুবিধা

মালয়েশিয়াতে কোম্পানি ভিসায় কিছু সুযোগ সুবিধা রয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন রকম সুযোগ সুবিধা প্রদান করে থাকে। কিছু কোম্পানিতে বিশেষ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয় এবং কিছু কোম্পানিতে সামান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে। আপনি যদি মালয়েশিয়াতে কোম্পানি ভিসা নিয়ে যেতে পারেন তবে বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা পেয়ে যাবেন। কিছু কিছু কোম্পানি আপনাকে থাকার সুযোগ প্রদান করবে, আবার তার সাথে খাওয়ার সুযোগ দিতে পারে। আবার কোন কোম্পানি রয়েছে যারা থাকা, খাওয়া, যাতায়াত খরচ এর সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে।


মালয়েশিয়া কোম্পানির নাম

মালয়েশিয়াতে অনেক কোম্পানি রয়েছে। যে সকল কোম্পানিগুলোতে কাজ করার জন্য মূলত তারা বাইরে থেকে শ্রমিক নিয়ে থাকে। মালয়েশিয়ার কিছু কোম্পানির নাম নিচে উল্লেখ করা হলো। যে সকল কোম্পানিগুলোতে বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দেশের মানুষ বর্তমান সময়েও কাজ করে যাচ্ছেন।
  1. ম্যাক্স অ্যাপারেল সলিউশন
  2. এসটি অ্যাপারেলস গ্রুপ
  3. একসেস গ্লোবাল এইচডি এমবি এইচডি
  4. এমডিটি গার্মেন্ট
  5.  কর্পোরেট গার্মেন্টস এস ডি এন ডিএসডি

মালয়েশিয়া ইলেক্ট্রনিক কোম্পানি

মালয়েশিয়াতে বিভিন্ন রকমের ফ্যাক্টর রয়েছে যে সকল ফ্যাক্টরিগুলোতে আলাদা আলাদা কাজ করে নেওয়া হয়। মালয়েশিয়াতে ইলেকট্রনিক কোম্পানিতে যারা যায় তারা মূলত ইলেকট্রনিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে থাকেন। ইলেকট্রনিক কোম্পানিতে আপনি যদি যেতে পারেন তবে অন্যান্যদের তুলনায় সুযোগ-সুবিধা বেশি পাবেন এবং বেতন ও বেশি পাবেন।

বর্তমান সময়ে যেহেতু মালয়েশিয়া তে বিভিন্ন ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে মানুষ যাচ্ছেন কাজ করার জন্য। সুতরাং আপনি চাইলেও এজেন্সি গুলোর সাহায্য নিয়ে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া ইলেক্ট্রনিক কোম্পানি ভিসা নিয়ে যেতে পারেন।

মালয়েশিয়া ইলেকট্রনিক্স কাজের বেতন কত

মালয়েশিয়াতে অনেকেই অনেক ধরনের কাজ করে থাকেন। বিভিন্ন কাজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিন্নরকম বেতন দেওয়া হয়ে থাকে। মালয়েশিয়া ইলেকট্রনিক কাজের বেতন বর্তমান সময়ে ৪৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। জেনে রাখা ভালো যে বিভিন্ন কোম্পানি ভেদেও একই রকম কাজের বেতন ভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

মালয়েশিয়া কনস্ট্রাকশন কাজের বেতন কত

মালয়েশিয়াতে কনস্ট্রাকশন কাজের বেতন নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৩৮ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। আপনারা যারা প্রাথমিক অবস্থায় কনস্ট্রাকশন এর কাজ করবেন মালয়েশিয়ায় গিয়ে তারা মূলত এমন বেতন পাবেন। তবে আপনি যদি পুরনো বা অভিজ্ঞ হন তাহলে আপনার বেতন ৬০ হাজার বা তারও বেশি টাকা। বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন রকম বেতন নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। যে কারণে মূলত কাজের মূল্য পরিবর্তন হয়।


মালয়েশিয়া কোন কাজের বেতন বেশি

মালয়েশিয়াতে অনেক ধরনের কাজ রয়েছে সকল কাজের বেতন একরকম নয়। যে সকল কাজগুলোর বেতন বেশি তা নিম্নে আলোচনা করা হলো।
  • কনস্ট্রাকশন
  • ড্রাইভিং
  • ইলেকট্রিশিয়ান
  • ক্লিনার
  • মেকানিক্যাল
  • ফ্যাক্টরি
সকল কাজগুলোর বেতন তুলনামূলকভাবে একই রকম প্রায়। তবে এদের মধ্যেই ড্রাইভিং ইলেকট্রিশিয়ান ও মেকানিক্যাল এর বেতন সব থেকে বেশি। আপনারা মালয়েশিয়া এলে এই সকল বিষয়গুলোর উপর দক্ষতা অর্জন করে আসবেন। তাহলে আপনি অন্যান্যদের তুলনায় বেশি বেতন পাবেন।

মালয়েশিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি

সব ধরনের কাজের চাহিদা একরকম নয়। কোন কাজের চাহিদা থাকে আবার কোন কাজে চাহিদা তুলনামূলক অর্থে অনেক কম থাকে। যে সকল কাজগুলো চাহিদা বেশি সেই সকল কাজগুলো করার জন্য বেশি পরিমাণ শ্রমিক খোঁজা হয়। যে সকল কাজগুলো চাহিদা কম সেই সকল কাজ করার জন্য তেমন মানুষ এর প্রয়োজন হয় না।

তাই আপনি যদি মালয়েশিয়া যেতে চান তবে যাওয়ার পূর্বে আপনাদের জানা উচিত কোন কাজগুলো চাহিদা বেশি সে সম্পর্কে। কারণ, চাহিদা সম্পূর্ণ কাজগুলোতে আপনি যদি মালয়েশিয়া যেতে পারেন তবে আপনি খুব দ্রুত সময়ে কাজ পেয়ে যাবেন। মালয়েশিয়াতে যে সকল কাজগুলো চাহিদা বেশি সেগুলো
  • কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজের চাহিদা অনেক বেশি রয়েছে।
  • ইলেকট্রিশিয়ান
  • ড্রাইভিং
  • মেকানিক্যাল
  • ক্লিনার
  • সেফ
  • ফ্যাক্টরি সাইটে অনেক কাজে রয়েছে।
  • বিভিন্ন কোম্পানিতে বেশ কাজের চাহিদা রয়েছে।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২৩

বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আধিক্যতা দেখা যায়। বাংলাদেশের মানুষ মালয়েশিয়া গিয়ে অনেক ধরনের কাজ করে থাকেন। যে সকল কাজগুলো করার জন্য তাদের সঠিক পারিশ্রমিক প্রদান করে থাকে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কোম্পানিগুলো। মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা সংক্রান্তে বিস্তারিত তথ্য জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করার নিয়ম

আপনারা বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই নিজে নিজেই নিজের ভিসা চেক করে নিতে পারেন। অনলাইনের মাধ্যমে ভিসা চেক করার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। তারপরে সেখান থেকে আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এবং ক্যাপচার কোড, জন্ম তারিখ বসিয়ে সাবমিট করতে হবে।

তাহলে আপনি আপনার কাঙ্খিত স্থানে পৌঁছে যাবেন। আপনার ভিসা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সেখানে লেখা থাকবে। যেমন, আপনি কোন কোম্পানিতে কাজ করবেন তার নাম, কোন ক্যাটাগরির কাজ করবেন ইত্যাদি। 

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার দাম কত

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার দাম ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। মালয়েশিয়া কলিং ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা খরচ হবে। বিমান টিকিট ৩৫ হাজার, ভিসা বাবদ ৯০ হাজার টাকা, এজেন্সি লাভ করবে প্রায় ২০ হাজার টাকা, অন্যান্য খরচ ১০ হাজার, সর্বমোট প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। এই টাকাগুলোর মাধ্যমে আপনি বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার চাহিদা কেমন

মালয়েশিয়া অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসার চাহিদা যেমন রয়েছে তার তুলনায় কলিং ভিসার চাহিদা একটু বেশি রয়েছে। পূর্বে এক সময় কলিং ভিসায় গিয়ে তেমন কাজ পাচ্ছিলেন না। কিন্তু তারপরেও কলিং ভিসার চাহিদা রয়ে গেছিল।


বর্তমান সময়ে কলিং ভিসায় গিয়ে কাজ পাওয়া যাচ্ছে। যে কারণে চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। কলিং ভিসায় গিয়ে বেতন বেশি পাওয়া যায়। এবং সুযোগ সুবিধা ও রয়েছে। যে কারণে মূলত মালয়েশিয়া কলিং ভিসার চাহিদা রয়েছে।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় বেতন কত

মালয়েশিয়াতে কলিং ভিসা নিয়ে গেলে আপনি প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন প্রায় ৫০ হাজার টাকা। তবে কাজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী বেতন পরিবর্তন হয়ে থাকে এটা জেনে রাখা ভালো। আপনি কি ধরনের কাজ করেছেন কত ঘন্টা কাজ করেছেন এবং কোম্পানি ভেদে ও বেতন কমবেশি হয়ে থাকে। তাই যাওয়ার পূর্বে আপনাদের সকলের উচিত বেতন সম্পর্কে জানা।

আমরা অনেকেই ভেবে থাকি কলিং ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া যেতে পারলে আমাদের বেতন অনেক বেশি হবে। কিন্তু তা নয়, সাধারণত তুলনায় সামান্য বেশি হয়ে থাকে কলিং ভিসায়। আপনারা যারা কলিং ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া যেতে আগ্রহী তারা নিশ্চিন্তে যেতে পারেন। বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়াতে কাজের চাহিদা অনেক বেশি রয়েছে। আপনি যদি সঠিকভাবে মালয়েশিয়া পৌঁছাতে পারেন তবে আপনি খুব সহজেই কাজ পেয়ে যাবেন।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন

মালয়েশিয়া যেকোনো ভিসা নিয়ে যেতে হলে আপনার বেশ কিছু ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। যে সকল ডকমেন্টসগুলো ছাড়া আপনি কোন ক্যাটাগরির ভিসা নিন মালয়েশিয়া যেতে পারবেন না। মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় যেতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
  1. প্রথমত আপনার একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে, পাসপোর্ট এর সর্বনিম্ন ৬ মাস থাকতে হবে। তবে দুই বছর এর বেশি মেয়াদ থাকা উত্তম। কারণ আপনি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করতে যাচ্ছেন তার জন্য।
  2. সদ্য তোলা ছবি এবং ছবিটি অবশ্যই রঙিন হতে হবে।
  3. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, এটা নেওয়ার কারণ আপনার নামে কোন কেস বা দেশবিরোধী কোন কিছু রয়েছে কিনা তা জানার জন্য।
  4. মেডিকেল রিপোর্ট, এটা নেওয়ার কারণ আপনার শারীরিক কোন সমস্যা রয়েছে কিনা তা দেখার জন্য।
  5. করোনার টিকা কার্ড, আপনার শরীরে করোনা রয়েছে কিনা তা বোঝার জন্য করোনার টিকাকার্ড নিয়ে থাকে।
  6. ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্টে শেষ ছয় মাসের হতে হবে, এবং সেই একাউন্টে লেনদেন থাকতে হবে।
  7. এন আইডি কার্ড এর প্রয়োজন হবে, কারণ আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছেন কিনা তা বোঝার জন্য।
  8. জন্ম নিবন্ধন এর প্রয়োজন হবে।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে

মালয়েশিয়াতে বর্তমানে কলিং ভিসা চালু রয়েছে। তাই পুনরায় কলিং ভিসা কবে চালু হবে তা জানার প্রয়োজন নেই। আপনি যদি মালয়েশিয়া তে কলিং ভিসা নিয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন তবে আপনার অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। আপনি এখন কলিং ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া যেতে পারেন।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা বন্ধ নাকি খোলা

বর্তমানে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চালু রয়েছে। আপনারা যারা কলিং ভিসা নিয়ে যাবেন বলে দীর্ঘদিন যাবৎ অপেক্ষা করে আছেন তারা বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়াতে কলিং ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন। ২০২১ সালের পরে দীর্ঘদিন যাবত কলিং ভিসা বন্ধ ছিল। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কারণে বর্ধমান সময়ে কলিং ভিসা চালু করে দেওয়া হয়েছে।

নবীনতর পূর্বতন