কসোভো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

কসোভো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা




কসোভো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

প্রিয় পাঠক আশা করি সবাই ভাল আছেন,বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়। তার ওই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ মানুষ এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা সহ বিশ্বের নানা দেশে অধিবাসন করে থাকে।

কসোভো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

আমরা আজকে আপনাদের সঙ্গে কসোভো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কে কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশে বাঙ্গালীরা অনেক বেশি ভিসা নিয়ে থাকলেও ইউরোপের এই দেশটিতে গিয়ে অনেক বাঙালি বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছে। তাই আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় ইউরোপের কসোভো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে। শুরুতে কসোভো সম্পর্কে কিছু সাধারণ তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

কসোভো সম্পর্কে কিছু কথা

ইউরোপ মহাদেশের একটি সাধারণ দেশ। ইউরোপের অন্যান্য দেশের মোট তুলনায় এর অর্থনীতি কিছু নিম্নমুখে। আয়তনের দিক থেকে অনেক ছোট। দেশটির সর্বমোট আয়তন ১০,৯০৮ বর্গ কিলোমিটার। দেশটির মুদ্রার নাম হলো ইউরো। ইউরোপের এই দেশটিতে জনসংখ্যা রয়েছে মাত্র দুই মিলিয়ন। দেশটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অপর লীলাভূমি হওয়ার কারণে অনেক উন্নত দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ পর্যটক ভ্রমণ করতে আসে।

কসোভো যেতে কত টাকা খরচ হয়

পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকায় ইউরোপের দেশ কসোভো যাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ইউরোপের এই দেশটিতে যাওয়ার কোন সিস্টেম না থাকায় কিছু ক্ষেত্রে টাকা পরিমাণ টাকা কম বেশি হতে পারে। এছাড়া অনেকেই আছেন যারা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং চেষ্টা করে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে ভিসা পাওয়ার আগে অর্থ লেনদেন  নিরাপদ না।

পূর্বে অনেক দেখা গেছে যে অনেক মানুষ দেশ টিতে  যাওয়ার জন্য অনেককে টাকা দিয়েছে কিন্তু ভিসার কোন সন্ধান মেলেনি। তাই অবশ্যই এই দেশটিতে যেতে হলে আপনাকে সঠিক এজেন্সির সঙ্গে কথা বলে এরপর ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।

কসোভো ভিসার জন্য কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন হবে

আপনারা যদি কাজ করার জন্য এ দেশটিতে যেতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে বেশ কিছু ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। আপনারা অনেকেই জানেন না কি কি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হয়। তবে আপনাদের এই সম্পর্কে জানা উচিত। যে সকল ডকুমেন্টসগুলো প্রয়োজন হয় তা হল।
  • একটি বৈধ পাসপোর্ট সর্বনিম্ন মেয়াদ ছয় মাস।
  • পাসপোর্টটিতে সর্বনিম্ন দুইটি ফাকা পৃষ্ঠা।
  • সদ্য তোলা ছবি।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
  • মেডিকেল রিপোর্ট।
  • করোনা টিকা কার্ড।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেষ ছয় মাসের।

কসোভো কাজের বেতন কত

কসোভো কাজের বেতন ৩০,০০০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে আপনার পরিচিত মানুষদের নিকট থেকে ভিসা সংগ্রহ করলে সুবিধাটা ভালো পাওয়া যায়। এছাড়াও আপনি যদি বিশেষ কোনো কাজের ওপর সুনাম অর্জন করতে পারেন তাহলে লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন মিলতে পারে। তবে অতিরিক্ত বেতনের লোভের আশায় কখনো কোন কাজ করা যাবে না। মনে রাখবেন দেশটির  আইনগত দিক থেকে অনেক শক্তিশালী।

আরো জানতে ভিজিট করুন


কসোভো ভিসা প্রসেসিং হতে কতদিন সময় লাগে

কসোভো ভিসা প্রসেসিং খুব কম সময়ের মধ্যে হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আপনাদের সময় লাগবে প্রায় ৭ থেকে ১২ কর্ম দিবস। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু সময় বেশি লাগতে পারে। ডকুমেন্টস ঠিক থাকলে এর মধ্যে হয়ে যাই যদি কোন সমস্যা থাকে কোন ডকুমেন্টস তবে কিছুদিন দেরি হয়ে থাকে।

কসোভো কোন কাজগুলোর চাহিদা বেশি

বাংলাদেশ থেকে যারা এই দেশে কাজ করার উদ্দেশ্য নিয়ে যেতে যাচ্ছেন তারা অনেকেই জানতে চান কোন কাজগুলোর চাহিদা বেশি হয়েছে। বর্তমানে ফ্যাক্টরির বিভিন্ন খাতে এবং কনস্ট্রাকশনের বিভিন্ন খাতে খুব বেশি পরিমাণ কাজের চাহিদা রয়েছে। যেমন, মেসন, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, মেকানিক্যাল, টাইলস, রেস্টুরেন্ট, ক্লিনার, হেল্পার ইত্যাদি।

কসোভো এর সর্বনিম্ন বেতন কত

এই দেশটিতে কাজ করলে আপনি সর্বনিম্ন বেতন পাবেন ৩৫ হাজার টাকা। তবে যারা এদেশটিতে কাজ করে থাকে তারা প্রতি মাসে আয় করতে পারেন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। কাজের ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে বেতন কম বেশি হয়ে থাকে। আপনারা যে কাজই করেন না কেন ৩৫ হাজার টাকার নিচে কোনো বেতন পাবেন না। ওভারটাইম কাজ করার জন্য আপনাদের অতিরিক্ত বেতন প্রদান করা হবে।

কসোভো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

কসোভো ভিসার জন্য কিভাবে আবেদন করবেন

আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজে নিজে নিজে অথবা কারো সাহায্য নিয়ে আবেদন করতে পারেন। বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে সবকিছু করা সম্ভব। সুতরাং আপনার একটু চেষ্টা করলে নিজে নিজেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অথবা আপনারা যে কোন এজেন্সি সাহায্য নিয়ে তাদের মাধ্যম দিয়ে আবেদন করে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

কসোভোর মুদ্রার মান কেমন

এ দেশটির মুদ্রার নাম ইউরো। আর আমরা জানি ইউরো এর মান আমাদের টাকার চেয়ে বেশি। ১ ইউরো সমান বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১৭ পয়েন্ট ৫৬ টাকা। এ থেকে আমরা বুঝতে পারছি এই দেশের মুদ্রা মান কতটা বেশি। বাংলাদেশের মুদ্রার মান অন্যান্য সে তুলনায় অনেক কম। এই দেশের ১০০ মুদ্রা সমান বাংলাদেশের প্রায় ১১৭৫৬ টাকা হবে। মুদ্রার মান যেহেতু পরিবর্তনশীল সুতরাং সব সময় একই রকম মুদ্রার মান নাও থাকতে পারে।
নবীনতর পূর্বতন